ইসলাম ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইসলাম ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৬ জুন, ২০২১

ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি বাংলাদেশ শহীদুল্লাহ্ আল আজাদ কে আহবায়ক করে খুলনা কমিটি গঠন

ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি বাংলাদেশ শহীদুল্লাহ্ আল আজাদ কে আহবায়ক করে খুলনা কমিটি গঠন


স্টাফ রিপোর্টারঃনির্যাতিত" নিপিড়ীত ও অধিকার বন্ধিত সহ সকল সিনিয়র ও জুনিয়র সাংবাদিকেদের নিয়ে গঠিত" ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ,, এ দিকে উক্ত সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির পর এবার ১১ সদস্য বিশিষ্ট খুলনা জেলা আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি আব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল্লাহ আল নোমান, সহ খুলনা বিভাগীয় টিম লিডার বাবু দেবব্রত মন্ডল ও খুলনা জেলা কমিটির আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ আল আজাদ সহ আহবায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক ,সদস্যদের  শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে খুলনা জেলা কমিটি। এ দিকে ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের খুলনা জেলা কমিটির আহবায়ক মনোনীত হয়েছেন,, শেখ ছখিনা খয়বার শিল্পী বেতার শ্রোতা সংঘের সভাপতি, গীতিকার ও সুরকার সহ ব্যাচিক শিল্পী ও তরুণ প্রজন্মের অহংকার দৈনিক বাংলাদেশ সংবাদ ও দৈনিক প্রতিদিনের স্বদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ( ১)আহবায়ক মোঃ শহীদুল্লাহ আল আজাদ। (২.) খুলনা জেলা কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন" খুলনা ইসলামীয়া কলেজের ইংরেজি প্রভাষক" বাংলাদেশ বেতার খুলনার উজ্জ্বল নক্ষত্র একাধারে" সাংবাদিক/ সংবাদ পাঠক/ উপস্থাপিকা ও অভিনয় শিল্পী ইফফাত সানিয়া ন্যান্সি,,  (৩)যুগ্ন আহবায়ক দৈনিক সংযোগ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও প্রেস ক্লাব রূপসার সাধারণ সম্পাদক মোঃ খবিরুদদীন, । (৪) যুগ্ম আহবায়ক" রূপসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সভাপতি দৈনিক প্রবাহ পত্রিকার সাংবাদিক 
 মোঃ বেনজির হোসেন। (৫) যুগ্ন আহবায়ক , দৈনিক রূপসা আন্ধল পত্রিকার সম্পাদক  মুন্সী মোঃ রায়হান দৈনিক। (৬) যুগ্ন আহবায়ক,  তরুন সমাজ সেবক, রূপসা ব্লাড কাফেলার প্রতিষ্ঠাতা, দৈনিক প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক এফ এম বোরহান।(৭)যুগ্ন আহবায়কঃ তরুণ প্রজন্মের অহংকার দৈনিক আমাদের ফোরাম পত্রিকার সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী  মোঃ মিজানুর রহমান। (৮) সদস্য সচিবঃ তরুণ সমাজের নতুন অহংকার জাতীয় দৈনিক সন্ধাবানী পত্রিকার সাংবাদিক মোঃ রাসেল শেখ সদস্য , (০৯) সদস্যঃ শেখ ছখিনা খয়বার শিল্পী গোষ্ঠী বেতার শ্রোতা সংঘের সম্পাদক,  খুলনা"ল কলেজের শিক্ষার্থী দৈনিক বাংলাদেশ সংবাদ পত্রিকার রিপোর্টার মোঃ ওমর ফারুক, (১০) সদস্যঃ দৈনিক এশিয়া বানী পত্রিকার রিপোর্টারও তরুণ প্রজন্মের অহংকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ, প্রেসক্লাব রূপসার সাংগঠনিক সম্পাদক , মোহাম্মদ  আজিজুল ইসলাম। (১১) সদস্যঃ তরুন প্রজন্ম ও নতুন সাংবাদিকদের অহংকার, দৈনিক প্রতিদিনের স্বদেশ পত্রিকার সাংবাদিক ও সমাজ সেবক, মোঃ সোহরাব কাজি। উক্ত অনুমোদিত খুলনা জেলা কমিটির দেয়া হয়েছে" এ দিকে ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি আব বাংলাদেশ" সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান ও খুলনা বিভাগীয় টীম লিডার বাবু দেবব্রত মন্ডল সহ খুলনা  আহবায়ক কমিটির  বিনীত আহবান এই যে" সকলের দোয়া ও ঐক্যবদ্ধ ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যাবে খুলনা আহবায়ক সহ কেন্দ্রীয় কমিটি।

২৫ জুন, ২০২১

নাটোরের খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার বাসা থেকে ৩০০ বস্তা সরকারি গম উদ্ধার

নাটোরের খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার বাসা থেকে ৩০০ বস্তা সরকারি গম উদ্ধার


স্টাফ রিপোর্টারঃশুক্রবার দুপুরে নাটোরের লালপুরে উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের বাসা থেকে ৩০০ বস্তা সরকারি গম উদ্ধার করেছে লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী মেজিস্ট্রেট সাম্মি আক্তার। পরে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা রবীন্দ্রলাল চাকমার উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত গম গুলো খাদ্য গুদামে স্থানান্তর করা হয়। 
এ ব্যাপারে লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী মেজিস্ট্রেট সাম্মি আক্তার সাংবাদিকদের জানান, উপজেলার গোপালপুর সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম অবৈধ্যভাবে সরকারি গম তার বাসায় সরিয়ে রেখেছেন এমন খবর পাওয়ার পর শুক্রবার দুপুরে সেখানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।পরে গম গুলো পূনরায় গোডাউনে মজুদ করা হয়। এ ব্যাপারে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামে বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ইউএনও ।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গুদামে যায়গা স্বল্পতার কারনে জেলা খাদ্য কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে গমগুলো বাসায় রাখা হয়েছে।
তবে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা রবীন্দ্রলাল চাকমা ওই কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাক্ষান করে জানান, গম বাসায় রাখার ব্যাপারে তাকে কিছু জানানো হয়নি, এমনকি গুদামে যায়গা স্বল্পতার বিষয়টিও সঠিক নয়, গুদামে যথেষ্ট জায়গা আছে গম রাখার। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

৯ মে, ২০২১

কদরের রাতের প্রার্থনা হোক করোনা থেকে বিশ্ববাসীর মুক্তির : ন্যাপ

কদরের রাতের প্রার্থনা হোক করোনা থেকে বিশ্ববাসীর মুক্তির : ন্যাপ


মারুফ সরকার ,ঢাকা : পবিত্র লায়লাতুল কদর উপলক্ষ্যে দেশবাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি, করোনা মহামারী থেকে মুক্তি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, এ মহান রাতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে প্রার্থনা হোক বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে তিনি যেন মানবজাতিকে রক্ষা করেন। এই করোনা রোগে মৃত্যু ও আক্রান্তের ভয়াল দুঃসময় থেকে আল্লাহ যেন সকলকে পরিত্রাণ দান করেন।


রবিবার (৯ মে) পবিত্র লায়লাতুল কদর উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বাণীতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন। 


তারা বলেন, লাইলাতুল কদর, মহিমান্বিত রজনী। এ রাতের মর্যাদা দান করেছেন আল্লাহ তাআলা। ‘লাইলাতুল কদর; হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ রাত। এ রাত মুমিন বান্দার জন্য আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের শ্রেষ্ঠ রাত। আল্লাহ তাআলার হুকুমে ফেরেশতাগণ এ বরকতময় রাতে সব মঙ্গলময় বস্তু নিয়ে জমিনে আগমন করেন। এ রাত মানুষের দুনিয়া ও পরকালের শান্তি ও কল্যাণের রাত। যা শুরু হয় সন্ধ্যা থেকে এবং শেষ হয় প্রভাতে; এটা আল্লাহ তাআলার ঘোষণা।


নেতৃদ্বয় মহিমান্বিত রজনি পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়ে বলেন, ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়। শবে কদরের এই পবিত্র রজনিতে ‘আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে অশেষ রহমত ও বরকত কামনার পাশাপাশি দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা জানাই। 


তারা বলেন, মাহে রমজানের এ রাতেই মানবজাতির জন্য সার্বিক দিকনির্দেশনা, কল্যাণ ও তাদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআন মজিদ নাজিল করেন। কোরআন নাজিলের এই শবে কদরের পবিত্র রজনিতে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে এ মহামারি থেকে রক্ষার জন্য প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহ আমাদের প্রার্থনা কবুল করুন।



মারুফ সরকার 

ঢাকা 

তারিখ -০৯-০৫-২০২১

মোবাইল -০১৭৪৩-৩৫৯৭৪১

৮ মে, ২০২১

আল-আকসা মসজিদে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি

আল-আকসা মসজিদে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি

 

ঢাকা থেকে মারুফ সরকারের পাঠানো সংবাদ :


গতকাল ইসরাইলে আল-আকসা মসজিদে শান্তিপ্রিয় প্রায় ২০০ মুসল্লির উপর নামাজ রত অবস্থায় ইসরাইলের সেনাবাহিনী অতর্কিত হামলার নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি। আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান বিশ্বে ইসরাইল হচ্ছে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। তারা প্রতিনিয়ত ফিলিস্তিনি নিরীহ মুসলমানের উপর হামলা চালায়। গতকাল তারা মসজিদে নামাজ রত অবস্থায় মুসল্লিদের ওপর হামলা করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন তা নিন্দা জানাবার ভাষা আমাদের নেই। পবিত্র মাহে রমজানের মধ্যে ইসরাইল সেনাবাহিনী যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়েছে তা বিশ্বের নজিরবিহীন।


 আমরা নিহত ও আহত সকল মুসলিম ভাইদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। একই সাথে ইজরায়েল সরকারকে এই ঘটনার জন্য বিশ্ব দরবারে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আমাদের দাবি আপনারা দেখুন এবং বিচার করুন। ইসরাইলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার এটি উত্তম সময়। বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই বাংলাদেশ একটি ইসলামিক রাষ্ট্র। তাই ইসলামিক রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো অত্যন্ত জরুরী।

মারুফ সরকার 

ঢাকা 

তারিখ -০৮-০৫-২০২১

মোবাইল -০১৭৪৩৩৫৯৭৪১

২১ এপ্রি, ২০২১

জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা।

জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা।


চলতি বছর ফিতরা জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বুধবার জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় এই হার নির্ধারণ করা হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে গম, আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনির ইত্যাদি পণ্যগুলোর যেকোনো একটি দিয়ে ফিতরা প্রদান করা যায়। উন্নতমানের গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৭০ টাকা প্রদান করতে হবে, যব দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৮০ টাকা, কিসমিস দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১ হাজার ৩২০ টাকা, খেজুর দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১ হাজার ৬৫০ টাকা, পনির দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৩১০ টাকা ফিতরা প্রদান করতে হবে।

দেশের সকল বিভাগ থেকে সংগৃহীত গম, আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানগণ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উপরোক্ত পণ্যগুলোর যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।


উল্লেখ্য, উপরোক্ত পণ্যসমূহের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। তদানুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে। সভায় ফিতরা সংক্রান্ত কমিটির উপস্থিত সদস্যরা উল্লেখ করেন, নেছাব পরিমাণ মালের মালিক হলে মুসলমান নারী-পুরুষের ওপর ঈদের দিন সকালে সাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব হয়। ঈদের নামাজে যাওয়ার পূর্বে ফিতরা আদায় করতে হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।  সভায় আরও ‍উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর ড. মাওলানা মুহাম্মদ কাফিলুদ্দীন সরকার ও হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ রুহূল আমীন, বিশিষ্ট আলেম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো. আনিছুর রহমান সরকার, উপ-পরিচালক ড. মাওলানা আবদুল জলীল, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস মুফতি ওয়ালিয়ূর রহমান খান ও মুফাসসির ড. মাওলানা মুহাম্মদ আবু সালেহ পাটোয়ারীসহ দেশের বিশিষ্ট আলেম ওলামারা।


১৯ এপ্রি, ২০২১

রোজার নিয়ত ও সেহরি-ইফতারের দোয়া।

রোজার নিয়ত ও সেহরি-ইফতারের দোয়া।


পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা। প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য ও তাকওয়া লাভে ধন্য হয়।

রোজা পালন উপলেক্ষ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম বা রোজা ফরজ করা হয়েছে; যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া (আত্মশুদ্ধি) অর্জনে করতে পার। (সূরা বাকারা : আয়াত ১৮৩)

রমজানের রোজা পালনের জন্য সেহরি করা আবশ্যক। হাদিসে পাকে প্রিয়নবী (সা.) সেহরি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন। আবার যথাসময়ে ইফতার গ্রহণেরও তাগিদ প্রদান করেছেন।

হযরত আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমাদের রোজা এবং আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সেহরি খাওয়া। অর্থাৎ মুসলিমরা সেহরি খায় আর ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানরা সেহরি খায় না।’ (মুসলিম ও নাসাঈ)

রোজা পালনে সেহরি ও ইফতারের যেমন গুরুত্ব রয়েছে তেমনি রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়ার রয়েছে যথেষ্ট গুরুত্ব ও তাৎপর্য। সেহরি খাওয়ার পর রোজার নিয়ত করা জরুরি।

রোজার নিয়ত

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

আরবি নিয়ত : নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

বাংলায় নিয়তহে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়ত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোজা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

ইফতারের আগ মুহূর্তে বেশি বেশি ইসতেগফার পড়া সওয়াবের কাজ।

اَسْتَغْفِرُ اللهَ الْعَظِيْم – اَلَّذِىْ لَا اِلَهَ اِلَّا هُوَ اَلْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَ اَتُوْبُ اِلَيْهِ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيْم

আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম, আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু আল-হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম, ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।

ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দোয়া পড়ে ইফতার করা

اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِيْمِيْن

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্বের মাধ্যমে ইফতার করছি।

ইফতারের পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে দোয়া পড়া

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন-

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ

উচ্চারণ : ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’

অর্থ : ‘(ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো।’ (আবু দাউদ, মিশকাত)

আল্লাহ তা’আলা মুসলিম উম্মাহকে সেহরির পর নিয়ত করা, ইফতারের আগে তাওবা-ইসতেগফার করা, ইফতারের সময় দোয়া পড়া এবং ইফতারের পর শুকরিয়া আদায় করে দোয়া পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।


সেহরিতে বিশ্বনবী যা খেতেন।

সেহরিতে বিশ্বনবী যা খেতেন।


রাসুল (সা.) এর সাহারিও ছিল খুব সাধারণ। তিনি (সা.) দেরি করে একেবারে শেষ সময়ে সেহরি খেতেন। সেহরিতে তিনি দুধ ও খেজুর পছন্দ করতেন। সেহরিতে সময় নিয়ে কঠোরতা করা তিনি পছন্দ করতেন না।

বেশিরভাগ সামান্য ভেজা বা শুকনো খেজুর আর পানি দিয়ে ইফতার করতেন তিনি। ভেজা খেজুর সেহরিতে পছন্দ করতেন তিনি। সেহরি ও ইফতারে কখনো জাঁকজমক কিছু ছিল না তার। রমজানে রাসুলের এ আচরণ বিষয়ে বিভিন্ন হাদিসে উল্লেখ পাওয়া যায়। 

এরকম কয়েকটি হাদিস হলো: হজরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, (كان النبي صلي الله عليه و سلم يفطر قبل أن يصلي على رطبات، فإن لم تكن رطبات فتميرات، فإن لم تكن تميرات حسا حسوات من ماء ) রাসুল (সা.) নামাজ আদায়ের আগে কয়েকটি ভেজা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন, যদি ভেজা খেজুর না থাকত, তবে সাধারণ শুকনো খেজুরই গ্রহণ করতেন। যদি তাও না থাকত, তবে কয়েক ঢোক পানিই হত তার ইফতার। [তিরমিজি : ৬৯৬] 

আরেকটি বর্ণনায় পাওয়া যায়, উপরোক্ত কিছুই যদি না থাকে, তবে রোজাদার যে কোনো হালাল খাদ্য দিয়ে ইফতার করে নিবে। তবে, খাদ্যই যদি না থাকে, তাহলে ইফতারের নিয়ত করবে। ইফতারের নিয়তই হবে তার জন্য ইফতার।


রোজা ভঙ্গের কারণ কি কি ? -দৈনিক আমাদের টাঙ্গাইল

রোজা ভঙ্গের কারণ কি কি ? -দৈনিক আমাদের টাঙ্গাইল


 শুরু হয়ে গেল পবিত্র মাহে রমজান..  রোযাদার ব‍‍্যাক্তিকে আল্লাহ্ নিজ হাতে পুরস্কার দিবেন। তো চলুন যেনে নেই কি কি কারনে আমাদের রোজা  ভেঙ্গে যায় অথবা রোজা ভঙ্গের কারণ কি কি?

ইসলামী শরিয়তে সিয়ামের শুদ্ধতা ও যথার্থতার জন্য নির্ধারিত কিছু বিধি-বিধান রয়েছে, যার ব্যতিক্রম ঘটলে রোজা ভঙ্গ হয়, অন্যথায় মাকরূহ হয়।


রোজা বা সিয়াম ভঙ্গের কারণসমূহ: (১) ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। অনুরূপ ধুমপান করলে অথবা চিনি-লবন জাতীয় কোন বস্তু মুখে রাখার পর থুতুু গিলে ফেললে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। তবে ভুলবশত কিছু খেয়ে নিলে অথবা জোরপূবর্ক রোজাদারকে কেউ কিছু খেতে বাধ্য করলে রোজা ভঙ্গ হবে না।


(২) ইচ্ছাকৃত বমি করলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায়। তবে অনিচ্ছাকৃত বমির কারণে সিয়াম ভঙ্গ হবে না। যেমন মহানবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “যার অনিচ্ছাকৃত বমি আসে, তাকে সিয়াম কাযা করতে হবে না, আর যে ইচ্ছাকৃত বমি করে, সে যাতে তা কাযা করে (তিরমীজি)”।


(৩) রোজাদার সিয়াম অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করলে, তাকে উক্ত রোজা কাযা করতে হবে এবং কাফফারা আদায় করতে হবে।,


(৪) পানাহারের কাজ করে এমন ইনজেকশন গ্রহণ করাতেও রোজা ভঙ্গ হবে। ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে জীবনীশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য কিংবা অন্য কোন কারণে শরীরে ওষুধ প্রবেশ করানো হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। শরীরের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে যেমন গ্লুকোজ জাতীয় ইনজেকশন ব্যবহারে রোজা ভেঙ্গে যাবে। কারণ খাবার যেই কাজ করে এক্ষেত্রে অনেকটা একই কাজ করছে এটি। তবে শুধুমাত্র অপারগতায় চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ইনসুলিন, পেনিসিলিন জাতীয় ইনজেকশন নেওয়া হয়, তাহলে রোজা ভঙ্গ হবে না।'


(৫) মহিলাদের হায়েয বা নিফাস হলে অর্থাৎ মাসিক রক্তস্রাব শুরু হলে অথবা সন্তান প্রসব করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে। পরবর্তীতে সমান সংখ্যক রোজা কাযা করে নিতে হবে


(৬) মুখ খোলা রাখার কারণে বৃষ্টির পানি কণ্ঠনালীতে প্রবেশ করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়।


(৭) হস্তমৈথুন, আলিঙ্গন, অথবা চুম্বনের মাধ্যমে বির্যপাত ঘটালে রোজা ভঙ্গ হবে। তবে স্বপ্নদোষ বা রোগের কারণে বির্যপাত হলে রোজা ভঙ্গ হবে না। কেননা এতে রোজাদারের কোন ইচ্ছা ছিল না।


(৮) দাঁতে আটকে থাকা ছোলা পরিমাণ বা তার চেয়ে বড় খাদ্যদ্রব্য গিলে ফেললে অথবা এর চেয়ে কম পরিমাণ মুখ থেকে বের করে পূণরায় গিলে ফেললে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।


(৯) দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত বের হয়ে তা কণ্ঠনালীতে পৌঁছালে এবং রক্তের স্বাদ অনুভূত হলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।


(১০) সাহরি গ্রহণের সময় রয়েছে মনে করে পানাহার করলো, কিন্তু দেখা গেলো সুবহে সাদিক শেষ হয়ে গেল। সে রোজা হবে না।


(১১) কুলি করার সময় অসতর্কতার কারণে কণ্ঠনালীতে পানি প্রবেশ করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়।


যেসব কারণে রোজা ভাঙ্গে না, তবে মাকরূহ হয়ে যায়:


(১) গড়গড়া কুলি করা অথবা নাকে বেশি গভীরে পানি দেওয়া।


(২) অপ্রয়োজনে কোন জিনিস চিবানো।


(৩) তরকারি, তৈরিকৃত খাবার ইত্যাদির স্বাদ গ্রহণ করে ফেলে দেয়া। তবে কোন চাকরের মুনিব বা কোন নারীর স্বামী বদ মেজাজী হলে জিহ্বার অগ্রভাগ দিয়ে লবন চেখে তা ফেলে দেওয়ার অবকাশ আছে।


(৪) পরনিন্দা করা, মিথ্যা বলা, চোগলখুরী করা, অনর্থক কথাবার্তা বলা, নাটক-সিনেমা দেখা ও যেকোন গুনাহের কাজ করা।


(৫) গোসল ফরজ হয়েছে, এমন অবস্থায় নাপাক থেকে সারাদিন অতিবাহিত করা।


(৬) রোগী বা কোন পরীক্ষার জন্য শরীর দুর্বল হয়ে যায়, এমন পরিমাণ রক্ত দেওয়া।


(৭) রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট-মাজন ব্যবহার করা মাকরুহ। কেননা তা কণ্ঠনালীতে প্রবেশ করলে রোজা ভেঙ্গে যায়।


(৮) রোজা অবস্থায় ঝগড়া করা, গালি-গালাজ করা।


(৯) মুখে অধিক পরিমাণ থুথু একত্রে গিলে ফেলা ।


(১০) দাঁতে ছোলা/বুটের চেয়ে ছোট কোন বস্তু আটকে থাকলে তা বের করে মুখের ভিতর থাকা অবস্থায় গিলে ফেলা।


(১১) নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকবে না এরূপ মনে হওয়া সত্ত্বেও স্ত্রীকে চুম্বন করা ও আলিঙ্গন করা। আর রোজা অবস্থায় স্ত্রীর ঠোঁট মুখে নেয়া সর্বাবস্থায় মাকরূহ।


(১২) নিজের মুখ দিয়ে চিবিয়ে কোন বস্তু শিশুর মুখে দেয়া। তবে অনন্যোপায় হয়ে করলে অসুবিধা নাই।


(১৩) ঠোটে লিপিস্টিক লাগালে যদি মুখের ভিতর চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে তা মাকরূহ।



রোজার নিয়ত আরবি ও বাংলা অর্থসহ -দৈনিক আমাদের টাঙ্গাইল

রোজার নিয়ত আরবি ও বাংলা অর্থসহ -দৈনিক আমাদের টাঙ্গাইল


 রমজানের মাসে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন‍্য রোজা ফরজ করেছেন আল্লাহ্। রোজা রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমন আমাদের রোজা নিয়ত পড়া ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে আজে আমরা রোজার নিয়ত ভুলে গেছি। আসলে তাদের জন্য আজকে আমার রোজার নিয়ত লেখা।  


রোজার নিয়ত :

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم


আরবি নিয়ত : নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।


বাংলায় নিয়ত : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

৪ মার্চ, ২০২১

টাঙ্গাইলের ২০১ গম্বুজ মসজিদে আসছে বিশ্বের শীর্ষ ক্বারীগন।

টাঙ্গাইলের ২০১ গম্বুজ মসজিদে আসছে বিশ্বের শীর্ষ ক্বারীগন।


টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গম্বুজের মসজিদ ২০১ গম্বুজ মসজিদে আসছে 
বিশ্বের শীর্ষ ক্বারীগন ।;
জানা গেছে আগামী শুক্রবার (০৫ মার্চ ) জুমার বয়ান করবেন মিশর থেকে আগত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শীর্ষ ক্বারী ড. শায়েখ মাহমুদ তুখী, এছাড়াও পবিত্র কোরআন শরীফ তিলাওয়াত করবেন, ক্বারী শায়েখ সাঈদ তুসী( ইরান) ক্বারী শায়েখ সাইয়্যেদ ঈদ (মিশর)ক্বারী শায়েখ আব্দুল কাবির হায়দারী (আফগানিস্তান)


২০১ গম্বুজ মসজিদ জুমার নামাজের খুতবা প্রদান ও ইমামতি করবেন ক্বারী হাফেজ মাওলানা শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানী (ঢাকা)
উল্লেখ্য, নির্মাণাধীন থাকায় এখনো ২০১ গম্বুজ মসজিদে ওয়াক্ত নামাজ শুরু হয়নি, মসজিদের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অনুরোধে অস্থায়ীভাবে জুমার নামাজ আদায় করা হয় ।',
দেশের শীর্ষ আলেমগণ একেক জুমায় একেকজন খুৎবা দেন ও ইমামতি করেন ।
২০১৩ সালের জানুয়ারিতে এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মসজিদটি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। এ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তার মা রিজিয়া খাতুন, নির্মাণ কাজ এখনো চলছে। পৃথিবীর ইতিহাসে কখনো এত সংখ্যক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ তৈরি হয়নি। মসজিদের ছাদে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি গম্বুজ রয়েছে। বড় গম্বুজের চারপাশে ছোট ছোট গম্বুজ আছে ২০০টি। প্রতিটির উচ্চতা ১৭ ফুট।' মূল মসজিদের চার কোণায় রয়েছে ৪টি মিনার। প্রতিটির উচ্চতা ১০১ ফুট। পাশাপশি আরো চারটি মিনার আছে ৮১ ফুট উচ্চতার। সবচেয়ে উঁচু মিনারটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত। এর উচ্চতা ৪৫১ ফুট। ১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪৪ ফুট প্রস্থের দ্বিতল এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদের দেয়ালের টাইলসে অঙ্কিত রয়েছে পূর্ণ পবিত্র কোরআন শরিফ। যে কেউ বসে বা দাঁড়িয়ে মসজিদের দেয়ালে অঙ্কিত কোরআন শরিফ পড়তে পারবেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান জানানঃ আল্লাহ ঘর মসজিদের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশ বিদেশ থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ ছুটে আসছে, এতে বোঝা যায় মানুষ এখন মসজিদমুখী হচ্ছে ‌ ।'

মসজিদটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে দেশের সকল মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ।;